image
image

Welcome to Oceanography Department and thank you for visiting our webpage.

নোবিপ্রবির ৪৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

নোবিপ্রবি/রেজি/জনওপ্রকা/০৭/২০১৭/     -- ৩০ জুলাই ২০১৭


 নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নোবিপ্রবির ৪৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি)  ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের জন্য ৪৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকার রাজস্ব ব্যয় সংবলিত প্রস্তাবিত অনুন্নয়ন বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগামী এক বছরের ব্যয় হিসাব এ বাজেটে অন্তর্ভূক্ত। আজ  রোববার (৩০জুলাই ২০১৭) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয়ের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাজেট পেশ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবুল হোসেন, বিভিন্ন অনুষদসমুহের ডিন, ইনস্টিটিউটসমূহের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, দপ্তরসমূহের পরিচালক, শিক্ষক সমিতির সভাপতি, প্রক্টর এবং সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৩ লাখ টাকা। বেতন-ভাতা বাবদ বরাদ্দ ২৩ কোটি টাকা যা মোট বাজটের প্রায় ৫২ শতাংশ। সাধারণ আনুষঙ্গিক খাতে ৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা যা বাজেটের ২১ শতাংশ। এছাড়া মেরামত, সংরক্ষণ ও পুনর্বাসন (রক্ষণাবেক্ষণ) কার্যক্রমের জন্য ব্যয় হবে এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
প্রতিবারের ন্যায় এবারও বাজেটের আয়ের উৎস বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুদান ও নিজস্ব আয়। এবার ইউজিসি দেবে ৩৮ কোটি আর বাকি ৬ কোটি ১০ লাখ টাকা আসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে। অভ্যন্তরীণ আয়ের উৎস হচ্ছে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে আদায় করা ফি, দালান ও ভূসম্পত্তি  থেকে আয় ও বিবিধ প্রাপ্তি। 
অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান বলেন, ‘২০০৬-০৭ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজস্ব বাজেট বরাদ্দ ছিল ৬০ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। আমি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করি, ২০১৪-২০১৫  অর্থবছরে ছিল ২০ কোটি ৬০ লাখ টাকা বর্তমানে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে যা দ্বিগুণের চেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ৪৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকায় উন্নীত হয়। সে হিসেবে এবারের ঘোষিত বাজেট এর আকার অন্য সব অর্থবছরের তুলনায় অনেক বেড়েছে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা, গবেষণার মত গুরুত্বপূর্ণ খাতে ২০১৫-১৬  অর্থবছর পর্যন্ত বিগত ১০ বছরে বরাদ্দ পাওয়া যায় ১৩ লাখ টাকা। যার আকার এ অর্থবছরে বছরে দাঁড়ায় ৪৩ লাখ টাকায়। এটিও একটি মাইল ফলক।